কক্সবাজারের রামুতে দূর্বৃত্তের গুলিতে শাহীন ডাকাতের সেকেন্ড ইন কমান্ড শফিউল লেদাপুতু (২৮) নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নে মাঝিরকাটা বেলতলী কাটা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় প্রতিপক্ষ ডাকাত ও সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম বাহিনী নিয়ে অতর্কিত শাহিন ডাকাতের সহযোগী শফিউল আলম প্রকাশ লেদা পুতুকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই শফিউল আলম লেদাপুতু মারা যান।
শফিউল আলম লেদাপুতু মাঝিরকাটা এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির দুটি খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
খবর পেয়ে গর্জনিয়া ফাঁড়ির এসআই মো. জুয়েল চৌধুরী ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশ মৃতদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
উল্লেখ্য যে, নিহত শফিউল আলম লেদা পুতু বর্তমানে কারাগারে আটক আলোচিত শাহীন ডাকাতের চিহ্নিত সেকেন্ড ইন কমান্ড । শাহীন ডাকাত আটক হওয়ার পর উক্ত জনপদে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বে আব্দুর রহিম ডাকাত বেপরোয়া হয়ে প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ চালিয়ে আসছে।
আব্দুর রহিম প্রকাশ রহিম ডাকাত (২৪) গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝির কাটা বেলতলী গ্রামের সুলতান আহমদের ছেলে।
এদিকে শফিউল আলম লেদাপুতুর স্বজনরা দাবী করেছেন, লেদাপুতুু সন্ত্রাসী এলাকার সাহসী এক যুবক। সে সন্ত্রাসীদের আতঙ্ক ছিল। তাকে নিজের লোক দিয়ে ডেকে নিয়ে অতি কাছ থেকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। ঘটনাস্থলের অপর প্রান্তে গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল টহলে ছিল। এই ঘটনার ৫ মিনিটেই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। পুলিশ পৌঁছার আগেই সন্ত্রাসীরা দলবেঁধে পালিয়ে যায়।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূইয়া দূর্বৃত্তের গুলিতে শফিউল আলমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।