কুড়িগ্রামে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। উত্তর থেকে আসা কনকনে হিমেল হাওয়ায় জেলাজুড়ে হাড়কাঁপানো শীত জেঁকে বসেছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত চারদিক ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে, ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।
শীতের তীব্রতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। দিনের অধিকাংশ সময় অর্থাৎ প্রায় ১৭-১৮ ঘণ্টা জেলায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিললে এবং রোদ বাড়লে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। মূলত বিকেল নামার পর থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত কমতে থাকে এবং কনকনে ঠান্ডার কবলে পড়ে পুরো জেলা।
একইসঙ্গে শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এরমধ্যে শিশু, নারী ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।
কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার ৯টি উপজেলায় হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ (রোববার) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে।