ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে পাঁচ আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্টের নির্বাচনী বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মামলা করা বিএনপির প্রার্থীরা হলেন- কুমিল্লা- ১১ আসনের মো. কামরুল হুদা, ময়মনসিংহ-২ আসনের মোতাহার হোসেন তালুকদার, চাঁদপুর-৪ আসনের হারুনুর রশীদ ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের এম আকবর আলী। এছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকও মামলা করেন।
এদিন বিএনপি প্রার্থীর আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ধানের শীষের এজেন্টের সাক্ষর না নিয়ে অন্য প্রার্থীর এজেন্টদের দিয়ে করিয়ে রেজাল্ট দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়া, ভয়ভীতি দেখানো, এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানোর মতো অভিযোগ রয়েছে। আদালতে এগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে ১০টি, জামায়াতের পক্ষ থেকে ৭টি ও স্বতন্ত্র এক প্রার্থীর কারচুপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের নির্বাচনী বেঞ্চ।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে করা ‘নির্বাচনী’ আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে নির্বাচনী বেঞ্চ গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি চলছে।