আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ করে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ পরিপত্রটি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এতে জানানো হয়, সংবিধানের ৬৬(১)(২) অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ১২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিচার করা হবে। এছাড়া সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘প্রজাতন্ত্রের কর্ম’ ও ‘সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ’ এর ব্যাখ্যাও এতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
ইসির পরিপত্র অনুযায়ী, নিচের শর্তগুলোর যেকোনো একটিতে পড়লে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে-
১. আদালত কর্তৃক ফেরারি বা পলাতক আসামি হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না,
২. প্রজাতন্ত্রের বা কোনো সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ বা কিস্তি মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে পরিশোধে ব্যর্থ হলেও প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ এ ক্ষেত্রে আওতামুক্ত থাকবে,
৩. সরকারি টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্য কোনো সেবা প্রদানকারী সংস্থার বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে,
৪. এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে যাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে, তারা প্রার্থী হতে পারবেন না।
আরপিও অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে একটি স্বাক্ষর করা হলফনামা এবং সর্বশেষ কর বছরের আয়কর রিটার্নের কপি বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২ মার্চ, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৫ মার্চ, আপিল দায়ের ৬ থেকে ১০ মার্চ, আপিল নিষ্পত্তি ১১ মার্চ, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ১৪ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ এপ্রিল।