পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকেও সঙ্গে দেখা গেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে সকাল থেকেই ঢল নামে মানুষের। সকাল সাড়ে আটটা থেকে যমুনা প্রাঙ্গণে সর্বসাধারণের প্রবেশ উন্মুক্ত করা হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড়ও বাড়তে থাকে।
এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষরা দলে দলে জড়ো হতে থাকেন যমুনা প্রাঙ্গণে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য যমুনা প্রাঙ্গণের প্রবেশপথ উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে মুহূর্তেই সেখানে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে সেই জনস্রোত আশপাশের সড়ক অতিক্রম করে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজ হোসেন বলেন, এক যুগেরও বেশী সময় আমরা এই দিনের প্রতীক্ষায় ছিলাম। আজ এখানে আসতে পেরেছি, আমাদের নেতার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবো। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশের নয়।
ড্যাব সদস্য ড. জাফর ইকবাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তার আন্তরিকতা আমাদের ঈদ আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এদেশের জনগণের, সবার প্রতি দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে দোয়া চেয়েছেন, সহযোগিতা চেয়েছেন। আশা করি তিনি যে আন্তরিকতা দেখাচ্ছেন তা সবার জন্য মঙ্গল নিয়ে আসবে।
এর আগে সকালে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত ওই জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করবেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক পর দেশে ঈদ উদযাপন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১৭ বছর তিনি লন্ডনে অবস্থান করে ঈদ পালন করেছেন।