বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় কয়েকজন কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড, প্রণোদনার অর্থ এবং প্রত্যেকের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেন।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গুলশানের বাসভবন ছেড়ে যায়। পহেলা বৈশাখের দিনে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান।
এই প্রথমবারের মতো এই কার্ড পাচ্ছেন সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার বাসিন্দারা। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড ও খালখনন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার।
এদিকে, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২২ হাজার ৬৫ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা। কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা প্রণোদনা ও সেবা নিতে পারবেন। এছাড়া সার, বীজ, মৎস্য বা প্রাণি খাদ্যসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণও কিনতে পারবেন।
এদিকে আজই আরও ৯ স্থানে ‘কৃষি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। যার মধ্যে রয়েছে— ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি, পঞ্চগড় সদরের কমলাপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপি এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা।
শুরুতে ‘প্রাক-পাইলটিং’ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বিতরণ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। প্রাক-পাইলটিং শেষ হওয়ার পর দেশের এই বছর আগস্ট মাসের মধ্যেই ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এবং চার বছরের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে।