শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করেছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে তার বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করেছে ভারত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শনিবার (৩০ মে) দেওয়া এক পোস্টে এর পাশাপাশি তার স্মরণে বার্তাও দিয়েছে দূতাবাস।
এদিন সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ভারতীয় হাই কমিশনের পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করা হয়েছে।
পোস্টে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করে সমবেত হয়েছে, তখন দূতাবাস ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তার কণ্ঠে ধ্বনিত সেই বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছে। এই ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পথে তাদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং জাতীয় মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল বলে পোস্টে উল্লেখ করে দূতাবাস।
তখনকার মতো আজও ভারত বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে জানিয়ে পোস্টে বলা হয়, ‘ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিন্ন আত্মত্যাগের এক গৌরবগাথা এবং দুই দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় পাশে রয়েছে।’
উল্লেখ, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি থাকাকালে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের গুলিতে নিহত হন জিয়াউর রহমান। বিএনপি দিনটি তার ‘শাহাদাত দিবস’ হিসেবে পালন করে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ভোরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। বেলা ১১টায় শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।