প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় তার প্রথম বিদেশ সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এই সৌজন্যকে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসেবে অবহিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তার দুই দিনের কুয়ালালামপুর সফর শেষে মঙ্গলবার (২৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, মালয়েশিয়ার সরকার ও বন্ধুপ্রতীম জনগণের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বন্ধুত্ব, আন্তরিকতা ও সৌজন্যে আমরা গভীরভাবে অভিভূত।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার আলোচনায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘস্থায়ী সুসম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত এবং বৃহত্তর সহযোগিতা, সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক অগ্রগতির প্রতি উভয়ের অঙ্গীকার সুদৃঢ় হয়েছে।
তারেক রহমান লিখেছেন, ‘আমার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আমি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার মহীয়সী সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইলের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি এক অমূল্য সম্পর্ক, যার সূচনা হয়েছিল কয়েক দশক আগে, যখন আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও আমার মা বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।’
মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবং জীবনের সর্বস্তরে আমাদের দুই দেশের জনগণকে যে যুক্ত করে রেখেছে, তার জন্য আমরা গর্বিত।’
প্রধানমন্ত্রী তাদের বৈঠকের সময় প্রদর্শিত উষ্ণতা ও সৌজন্যের জন্য মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারকেও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এ ছাড়া তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম বিদেশ সফর শেষে আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি, যাতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের বহুমুখী অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হয়।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন। এটি ছিল দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম বিদেশ সফরের প্রথম ধাপ।