প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে তিন বাহিনীর প্রধান ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে যান। এরপর এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন তিনি। পরে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাতকালে তিন বাহিনীর প্রধানরা নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীও প্রতিরক্ষা বাহিনীর আধুনিকায়ন ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার বিষয়ে তার সরকারের ইতিবাচক অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি যোগ দেন ফ্যামিলি কার্ড চালু করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। দুপুরে তিনি আবারও বসবেন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। সেখানে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার পর বুধবার প্রথম দিনের মতো সচিবালয়ে যান নতুন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১২টার দিকে গিয়ে সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাসার উদ্দেশে বের হয়ে যান তিনি। বিকেল ৩টার দিকে তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেন তারেক রহমান। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের প্রায় সব বৈঠকই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথগ্রহণ করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।