প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ৯:৪৮:২১
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সর্বোচ্চ সাজার পর এবার ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় হতে যাচ্ছে।
ঢাকার পূর্বাচলে নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা আকারের তিনটি প্লট বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল দুর্নীতি করেছিলেন কি না—সেই সিদ্ধান্ত জানাবে আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই তিন মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
হাসিনা পরিবারের তিনজন ছাড়াও এ তিন মামলায় আরো ২০ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন কেবল একজন। কারাগারে থাকা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির করা হবে।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার ও কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) অবসরপ্রাপ্ত মেজর প্রকৌশলী সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শফি উল হক, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও নায়েব আলী শরীফ, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) কামরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মাজহারুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমানোর চেষ্টায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত ঘোষণা করে গত ১৭ নভেম্বর।
গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ আমলের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। এর মধ্যে শেখ হাসিনার প্রথম দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার।
আসামিদের বিরুদ্ধে যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, সেই ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কৌঁসুলি খান মো. মাইনুল হাসান লিপন বলেন, “আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি, তাদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে।”
গ্রেপ্তার একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমের আইনজীবী শাহীনুর রহমান বলেন, “দুদক আমার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। কাজেই আশা করছি, তিনি খালাস পাবেন।”
শেখ হাসিনা, তার ছেলে, মেয়েসহ বাকি আসামিদের পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার কাজ চলে। ফলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ তারা পাননি। তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি।
‘ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে’ রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত জানুয়ারিতে ছয়টি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা, ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী ও ভাগ্নে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিকে আসামি করা হয়।
ছয় মামলাতেই হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে। তার পরিবারের তিনটি মামলার বিচার চলছে একসঙ্গে; আলাদা আদালতে রেহানা পরিবারের তিন মামলারও বিচার চলছে একসঙ্গে।
তিন মামলায় কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ
তিন মামলাতেই এজাহারে থাকা নামের সঙ্গে তদন্তে নতুন নাম এসেছে। আসামিদের কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ তার বিস্তারিত অভিযোগপত্রে তুলে ধরেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
শেখ হাসিনার প্লট মামলা
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা নিজের মালিকানায় ও তার ছেলে, মেয়ে, বোন এবং বোনের দুই ছেলে-মেয়ের নামে ঢাকা শহরে বাড়ি বা ফ্ল্যাট বা আবাসন সুবিধা থাকার পরেও সেই তথ্য গোপন করে পূর্বাচল নতুন শহর আবাসন প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। এতে বরাদ্দ সংক্রান্ত আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন হয়েছে।
সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে’ শেখ হাসিনার নামে প্লট বরাদ্দ দেন। অপর আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ অনুমোদন দেন। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার দায়িত্ব পালনকালে আইন-কানুন ও বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দে সহায়তা করেন।
সচিব হিসেবে গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে কাজী ওয়াছি উদ্দিন আইন কানুন ও বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দের সহায়তা করেন। সচিব হিসেবে গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে শহীদ উল্লা খন্দকার ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ অনুমোদন ও হস্তান্তরে সহায়তা করেন।
রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) খুরশীদ আলম, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শফি উল হক, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) অবসরপ্রাপ্ত মেজর প্রকৌশলী সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী রাজউকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে এক সভায় শেখ হাসিনার অনুকূলে প্লট বরাদ্দ অনুমোদন করেন। নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে প্লটটি শেখ হাসিনার নামে হস্তান্তর করে অপরাধে সহায়তা করেন।
আইন অনুযায়ী শেখ হাসিনা প্লট বরাদ্দের জন্য যোগ্য না হলেও অসৎ উদ্দেশ্যে সেই কাজে সহায়তা করেন রাজউকের সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ। আর গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দে সহায়তার কথা বলা হয়েছে।
জয়ের প্লট মামলা
রাজউক এলাকায় আবাসন সুবিধা থাকার পরও তা হলফনামায় গোপন করে সজীব ওয়াজেদ জয় পূর্বাচল নতুন শহর আবাসন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত আইন, বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে মা শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন।
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে ছেলেকে প্লট বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দেন। এর মাধ্যমে পরিবারকে আর্থিকভাবে লাভবান করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন সংরক্ষিত কোটায় জয়ের নামে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দের বিষয়ে গৃহায়ন সচিবকে চিঠি দেন। তিনি ও শেখ হাসিনা যোগসাজশ করে নিজে ও অপরকে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে সরকারপ্রধানের দপ্তরের একটি নথি বিনষ্ট করেছেন অথবা গায়েব করেছেন।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের সাইফুল ইসলাম সরকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আইন ও বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত নথিতে সই করেন।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় পূরবী গোলদার আইন ও বিধি-বিধানকে পাশ কাটিয়ে প্লট বরাদ্দের প্রস্তাব ও হস্তান্তরে সহায়তা করেন।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কাজী ওয়াছি উদ্দিন অবৈধভাবে জয়ের নামে প্লট বরাদ্দে সহায়তা করেন।
নিজে লাভবান হতে এবং অন্যকে লাভবান করতে শহীদ উল্লা খন্দকার অবৈধভাবে জয়ের নামে প্লট বরাদ্দে সম্পৃক্ত ছিলেন।
সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে জয়ের নামে প্লট বরাদ্দ ও হস্তান্তর করেন।
রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) খুরশীদ আলম, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) অবসরপ্রাপ্ত মেজর প্রকৌশলী সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী যোগসাজশ করে অবৈধভাবে জয়ের নামে এক সভায় প্লট বরাদ্দ অনুমোদন করেন।
রাজউকের সহকারী পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মাজহারুল ইসলাম, রাজউকের সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ, রাজউকের সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) কামরুল ইসলাম, রাজউক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দের নথিতে সিই করেন।
পুতুলের প্লট মামলা
সায়মা ওয়াজেদ পুতুল রাজউক এলাকায় আবাসন সুবিধা থাকার পরও তা হলফনামায় গোপন করে পূর্বাচল নতুন শহর আবাসন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত আইন, বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে মা শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করে রাজউকে কোনো আবেদন না করেই ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন।
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে মেয়েকে প্লট বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দেন। এর মাধ্যমে পরিবারকে আর্থিকভাবে লাভবান করেছেন। সরকারপ্রধানের দায়িত্ব থাকা অবস্থায় তার দপ্তরের কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের সঙ্গে যোগসাজস করে কার্যালয়ের একটি নথি নষ্ট করেছেন অথবা গায়েব করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন সংরক্ষিত কোটায় পুতুলের নামে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দের বিষয়ে গৃহায়ন সচিবকে চিঠি দেন। তিনি ও শেখ হাসিনা যোগসাজশ করে নিজে ও অপরকে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে সরকারপ্রধানের দপ্তরের একটি নথি বিনষ্ট করেছেন অথবা গায়েব করেছেন।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের সাইফুল ইসলাম সরকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত নথিতে সই এবং অপরাধ কর্মে সহায়তা করেন।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব প্রবীর গোলদার সরকারি দায়িত্ব অমান্য করে অবৈধভাবে পুতুলকে প্লট বরাদ্দে সহায়তা করেন।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কাজী ওয়াছি উদ্দিন বিধি-বিধানের তোয়াক্কা না করে পুতুলের নামে প্লট বরাদ্দে নথিতে সই করেন এবং প্লট হস্তান্তর কাজে অন্যদের সহায়তা করেন।
সচিব হিসেবে গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শহীদ উল্লা খন্দকার অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ অনুমোদন ও হস্তান্তরে সহায়তা করেন।
সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে পুতুলের নামে প্লট বরাদ্দ ও হস্তান্তর করেন।
রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম ও রাজউকের সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দে নথিতে সই করেন।
এছাড়া অন্য আসামিরা অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ দিয়ে ‘নিজে লাভবান হয়েছেন এবং অন্যকে লাভবান করেছেন’ বলে অভিযোপত্রে বলা হয়।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি হবেন দ্বিতীয় সাবেক সরকারপ্রধান, যিনি দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছিল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আপিলে তিনি দুই মামলাতেই খালাস পান।
তার আগে সাবেক সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এক ডজনের বেশি দুর্নীতির মামলার আসামি হন। তার মধ্যে জনতা টাওয়ারসহ একাধিক মামলায় তিনি দণ্ডিত হন।