বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে চাঁদাবাজদেরকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে আসা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে যশোরে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দলের রাজনীতির বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালানো যাবে না, চাঁদাবাজি হবে না। হ্যাঁ মানে আজাদী, না মানে গোলামী।
তিনি বলেন, একটি বন্ধু সংগঠন একদিকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছে, অন্যদিকে গায়ে হাত দিচ্ছে। এ দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না।
আসন্ন নির্বাচনকে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, এটি কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়, জনগণের মাধ্যমে রাজনীতির গতিপথ পাল্টে দেওয়ার সুযোগ।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সমাবেশ শুরু হয়। এতে স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা এবং যশোরের ছয়টি আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। তারা নিজ নিজ আসন ঘিরে পরিকল্পনা ও নির্বাচনী রূপরেখা তুলে ধরেন।
সকাল ৯টার কিছু পর সমাবেশস্থলে পৌঁছান জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান। সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা ঈদগাহ ময়দানে অবস্থান নেন। মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকাতেও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছড়িয়ে পড়ে।
যশোরের সমাবেশ শেষে ডা. শফিকুর রহমানের সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে কলারোয়া ও ডুমুরিয়ায় পথসভা এবং দুপুর সাড়ে ১২টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। সেখান থেকে তিনি দুপুর ২টায় খুলনায় পৌঁছাবেন।
বেলা সাড়ে ৩টার দিকে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষন দেবেন। পরে তিনি বাগেরহাটে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন।
খুলনার জনসভায় বিশেষ অতিথি থাকবেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী আমির ও জনসভা প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান।