টানা চারটি আইসিসি ইভেন্টে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সুপার এইটের শেষ ম্যাচ জিতলেও শেষ চারে ওঠার সুযোগ হারায় সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। পুরো টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক, যা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-কে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে।
সাধারণত খেলোয়াড় খারাপ খেললে দল থেকে বাদ পড়েন। কিন্তু এবার পিসিবি একেবারে নজিরবিহীনভাবে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ রুপি করে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এই সিদ্ধান্তকে ‘সংকীর্ণ মানসিকতা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি।
আফ্রিদি সরাসরি শাস্তির ধারার বিরোধিতা না করলেও তার পরিমাপ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সামা টিভিকে তিনি বলেন, ‘শাস্তি নগণ্য। ৫০ লাখ রুপি দিয়ে খেলোয়াড় কী করবেন? এটা আমার কাছে শাস্তি মনে হয়নি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, খেলোয়াড়দের প্রকৃত বার্তা দিতে পারলে শাস্তি আরও কার্যকর হতো। আফ্রিদির মতে, খারাপ পারফর্ম করা খেলোয়াড়দের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঠানো উচিত এবং কিছু খেলোয়াড়কে অন্তত দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে রাখা যেতে পারে।
আফ্রিদি বলেন, ‘যে খেলোয়াড়রা পারফর্ম করবে না, তাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঠিয়ে দিন। কিছু খেলোয়াড় আছে, আমার মতে, তাদের অন্তত দুই বছর জাতীয় দলের বাইরে রাখা উচিত। এটাই যথেষ্ট।’
যদিও কাগজে ৫০ লাখ রুপি কম নয়। ‘সি’ ও ‘ডি’ গ্রেডের খেলোয়াড়দের বার্ষিক কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বেতন মাত্র ১০ লাখ রুপি, সঙ্গে আইসিসির শেয়ার ৭.৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ এই শাস্তির কারণে তাদের কয়েক মাসের বেতনও হারাতে হতে পারে।
পিসিবির মহসিন নাকভি মনে করেন, খেলোয়াড়দের জন্য আর্থিক পুরস্কার অবশ্যই পারফরম্যান্সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। এই নীতি অনুসারে তারা খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত প্রশংসা ও পুরস্কার দিয়েছেন।