২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কঠোর নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানিয়েছে মেক্সিকো সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে আসরটি আয়োজন করবে তারা। তবে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনার পর বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হওয়ায় প্রায় এক লাখ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম। ফিফা এবং প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম উভয়েই জানিয়েছেন, দেশে চলমান সহিংসতা বিশ্বকাপ আয়োজনকে প্রভাবিত করবে না। যদিও টুর্নামেন্ট উপলক্ষে লাখো দর্শনার্থী মেক্সিকো সফর করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেক্সিকোর এই নিরাপত্তা পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্ল্যান কুকুলকান’। মায়া সভ্যতার সর্পদেবতার নাম অনুসারে এই পরিকল্পনার নামকরণ করা হয়েছে। এর আওতায় আয়োজক শহর ও আশপাশের পর্যটন এলাকাগুলোতে ৯৯ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের কথা জানিয়েছেন বিশ্বকাপ সমন্বয় কেন্দ্রের প্রধান রোমান ভিলালভাজো বারিয়োস।
নিরাপত্তা বাহিনীতে প্রায় ২০ হাজার সেনা সদস্য, ৫৫ হাজার পুলিশ কর্মকর্তা এবং বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা থাকবেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুক্ত থাকবে প্রায় ২,৫০০ সামরিক ও বেসামরিক যান, ২৪টি বিমান, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি এবং বিস্ফোরকসহ বিপজ্জনক পদার্থ শনাক্তে প্রশিক্ষিত কুকুর।