বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন চলছে, উত্তেজনা তুঙ্গে। কিন্তু সেই আবহেই হঠাৎ করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন লিওনেল মেসি। মাঠের জাদু নয়, এবার তাকে ঘিরে আলোচনা আদালতকেন্দ্রিক।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে জুনে পর্দা উঠবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর। টুর্নামেন্ট শুরু হতে বাকি আর দুই মাসেরও কম সময়। ঠিক এমন মুহূর্তেই যুক্তরাষ্ট্রে মেসির বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
মিয়ামিভিত্তিক ভিআইডি মিউজিক গ্রুপ গত মাসে মিয়ামি-ডেড সার্কিট কোর্টে এই মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ না নেওয়ার কারণে প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি লঙ্ঘন হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ভেনেজুয়েলা ও পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দুটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন ও প্রচারের একচেটিয়া অধিকার পেতে তারা বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছিল। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইনজুরি না থাকলে মেসিকে প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ৩০ মিনিট খেলতে হতো।
কিন্তু ১০ অক্টোবর ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচে দেখা যায় ভিন্ন দৃশ্য। মাঠে নামেননি মেসি; বরং স্টেডিয়ামের একটি স্যুটে বসেই খেলা দেখেন। বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে, কারণ ঠিক পরদিনই নিজের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির হয়ে মাঠে নেমে দুটি গোল করেন তিনি।
পরবর্তীতে ১৪ অক্টোবর পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ম্যাচে খেলেন মেসি। তবে সেই ম্যাচ নিয়েও ঝামেলা কম হয়নি। মূলত শিকাগোতে আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও টিকিট বিক্রি কম হওয়ায় সেটি ফ্লোরিডায় সরিয়ে নেওয়া হয়। এতে আয়োজকদের আর্থিক ক্ষতি আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ।
ভিআইডি মিউজিক গ্রুপ বলছে, এক ম্যাচে মেসির অনুপস্থিতি এবং অন্য ম্যাচে টিকিট বিক্রি কম হওয়ায় তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। যদিও মামলায় ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট অঙ্ক উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা মেসির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।