দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও লেবাননের নেতারা বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সরাসরি কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এর আগের দিন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনায় বসেন ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতেরা। মূলত লেবাননের ওপর ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা বন্ধের লক্ষ্যে এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে বৈরী পরিবেশ কিছুটা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। দীর্ঘ সময়, প্রায় ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা কথা বলবেন। কালই (বৃহস্পতিবার) এটি হতে যাচ্ছে। চমৎকার!’
তবে আলোচনায় কোন কোন নেতা অংশ নেবেন, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি।
অন্যদিকে ইসরায়েল বা লেবাননের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিন মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং ২০২৪ সালের নভেম্বরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে ২ মার্চ ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় লেবাননের হিজবুল্লাহ। এর মধ্য দিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে গোষ্ঠীটি।
সেই থেকে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এছাড়া ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করেছে, যার উদ্দেশ্য আরও ভূখণ্ড দখল করে তথাকথিত ‘বাফার জোন’ তৈরি করা।