দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন এক সহায়তার পরিধি আরও বড় হলো। প্রথম ধাপে ১২৯ জন খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করার পর এবার দ্বিতীয় ধাপে যুক্ত হলেন আরও ১৭১ জন। সবমিলিয়ে ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির আওতায় খেলোয়াড়ের সংখ্যা দাঁড়াল ৩০০-তে।
গত ৩০ মার্চ এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই ধারাবাহিকতায় আজ রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন করে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের হাতে ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ১৭১ জন খেলোয়াড়কে এক লাখ টাকা করে ভাতা এবং ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেন। এই ধাপে পুরুষ ও নারী ফুটবল দলের ৩৬ জন খেলোয়াড় জায়গা পেয়েছেন। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো জাতীয় নারী হকি দলও এসেছে এই সুবিধার আওতায়। দলটি আজ রাতেই এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে অংশ নিতে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে।
শুধু জাতীয় দলের খেলোয়াড় নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য পাওয়া তরুণদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বালক দ্বৈতে সোনা জেতা সিফাত উল্লাহ ও নাজমুল ইসলামও পেয়েছেন ক্রীড়া কার্ড ও এক লাখ টাকা করে পুরস্কার।
তবে এই ভাতা স্থায়ী নয়। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি চার মাস পরপর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ধাপে ধাপে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই ভাতার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।