ইউরোপের মাটিতে নতুন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। আগামী ৫ জুন স্বাগতিক সান মারিনোর বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে পূর্ণাঙ্গ শক্তি নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
সবশেষ গত মঙ্গলবার ২ জুন রাতে তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী স্কোয়াডে যোগ দেওয়ায় এখন পুরো দল নিয়ে অনুশীলনে নেমেছেন জামাল ভূঁইয়ারা। সব খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে সান মারিনোর কন্ডিশনে এখন পুরোদমে চলছে রণকৌশল সাজানোর কাজ।
আগামী ৫ জুন স্বাগতিক সান মারিনোর মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচকে সামনে রেখে গত সোমবারই ইউরোপের এই দেশটিতে পা রাখে বাংলাদেশ। সান মারিনোতে পৌঁছানোর পরপরই দলে যোগ দেন প্রবাসী ফুটবলার শমিত সোম। এরপর গভীর রাতে ক্যাম্পে এসে পৌঁছান জায়ান আহমেদ এবং পরদিন বিকেলেই তিনি নেমে পড়েন অনুশীলনে। সবশেষে হামজা চৌধুরী যুক্ত হওয়ায় দলের সবাই এখন ক্যাম্পের অংশ। ফলে কোচিং স্টাফের সামনে এখন পূর্ণাঙ্গ দল নিয়ে পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার ক্লান্তিকর ভ্রমণ শেষে প্রথম দিনটি ফুটবলাররা কাটান হালকা রিকভারি সেশনের মধ্য দিয়ে। তবে পরদিন থেকেই শুরু হয় পুরোদস্তুর স্কোয়াড অনুশীলন। ইউরোপের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে মাঠে ঘাম ঝরাচ্ছেন ফুটবলাররা।
সান মারিনোর দ্রুত পরিবর্তনশীল আবহাওয়া ফুটবলারদের জন্য কিছুটা পরীক্ষা তৈরি করলেও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন দলের ম্যানেজার আমের খান। তিনি বলেন, ‘গতকালের অনুশীলনে বেশ ঠান্ডা অনুভব করলেও আজ কিন্তু তীব্র গরম ছিল, যা অনেকটা বাংলাদেশের আবহাওয়ার মতোই। পর পর দুই দিন সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই ধরনের আবহাওয়ার অভিজ্ঞতা হলো আমাদের।’
বাংলাদেশ ও সান মারিনোর সময়ের ব্যবধান ৪ ঘণ্টা। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায়, বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মাঠে নামে দল। প্রায় ৯০ মিনিটের নিবিড় অনুশীলনে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন ফুটবলাররা।
সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি প্রীতি ম্যাচ নয়; ইউরোপের মাটিতে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর বড় সুযোগও। হামজা চৌধুরীসহ পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড নিয়ে এবার লাল-সবুজরা কতটা প্রস্তুত, সেটিই দেখা যাবে মাঠের লড়াইয়ে।