শেষ ম্যাচটি ছিল শুধুই সম্মান বাঁচানোর। সিরিজ তো আগেই হাতছাড়া হয়েছিল, তাই চট্টগ্রামে বাংলাদেশের সামনে ছিল অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর সুযোগ। কিন্তু সেই লক্ষ্যও পূরণ হলো না। ব্যাটিং ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭ উইকেটে হেরে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে বাংলাদেশ।
সিরিজজুড়েই ব্যাট হাতে ভুগেছে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে ৪ উইকেটের হার, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯৭ রান তাড়ায় জয়ের খুব কাছে গিয়েও ৭ রানের আক্ষেপ। আর শেষ ম্যাচে এসে ব্যাটিং বিপর্যয় যেন আরও প্রকট হয়ে ধরা দিল।
আজ রোববার চট্টগ্রামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তুলতে পারে মাত্র ১০৯ রান। এই সংগ্রহ যে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের সামনে খুব একটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারবে না, সেটি ম্যাচের শুরুতেই স্পষ্ট ছিল।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো ধরনের চাপই নেয়নি অস্ট্রেলিয়া। উদ্বোধনী জুটিতেই ২৯ বলে ৫৪ রান তুলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায় সফরকারীরা। জশ ইংলিস ১৬ বলে ১৭ রান করে ফিরলেও রান তোলার গতি কমেনি।
এরপর অধিনায়ক মিচেল মার্শ ব্যাট হাতে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন। কুপার কনোলির সঙ্গে ৩৪ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের আরও কাছে নিয়ে যান তিনি। ২৮ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলীয় ৮৮ রানে আউট হন মার্শ।
কুপার কনোলি ১৩ বলে ১৫ রান করে ফিরলেও ততক্ষণে ম্যাচ পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে। শেষদিকে টিম ডেভিড মাত্র ৩ বল খেলেই তিনটি বাউন্ডারিতে ১২ রান করে ৫৪ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।
এই হারের মধ্য দিয়ে শুধু সিরিজই নয়, হোয়াইটওয়াশের তিক্ত অভিজ্ঞতাও সঙ্গী হলো বাংলাদেশের। তিন ম্যাচের সিরিজে একটিও জয় তুলে নিতে না পারায় ব্যাটিং ইউনিটের ধারাবাহিক ব্যর্থতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতেই পারে।