আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নাটকীয় এক ঘটনার জন্ম দিলেন সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলো। ভিএআরে ধরা পড়া অভিনয়ের কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এই ফরোয়ার্ডকে। ফলে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। তবে আবারও প্রশ্ন থেকেই যায় এটা কি সত্যিই হলুদ কার্ড হয়?
দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক আগে টাচলাইনের কাছে মাটিতে পড়ে যান এমবোলো। প্রথমে রেফারি মনে করেন, এটি আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের ফাউল। সেই সিদ্ধান্তে পারেদেসকে হলুদ কার্ডও দেখান তিনি।
তবে কিছুক্ষণ পর ভিএআরের সহায়তা নেন রেফারি। রিপ্লেতে দেখা যায়, পারেদেস আসলে এমবোলোকে স্পর্শই করেননি। বরং পারাদেসের পায়ে লেগে মাটিতে পড়ে যান সুইজারল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ড।
রিপ্লে দেখার পর নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন রেফারি। পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করে নেন তিনি। পরিবর্তে বিতর্কের জন্ম দিয়ে হলুদ কার্ড দেখানো হয় এমবোলোকে।
এর আগেই ৪৪ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে ফাউল করে একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন এমবোলো। ফলে অভিনয়ের জন্য দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেই লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
লাল কার্ড দেখার পর ভীষণ ভেঙে পড়েন এমবোলো। কান্নায় ভেঙে পড়া এই ফরোয়ার্ডকে সান্ত্বনা দিতে এগিয়ে আসেন সতীর্থ ও কোচিং স্টাফরা। এরপর ম্যাচের বাকি সময় এক খেলোয়াড় কম নিয়েই লড়াই চালিয়ে যেতে হয় সুইজারল্যান্ডকে।
উল্লেখ্য, এই লাল কার্ডের কিছুক্ষণ আগেই দান এনদোয়ের গোলে সমতায় ফিরেছিল সুইজারল্যান্ড। প্রথমার্ধে করা আর্জেন্টিনার এগিয়ে থাকা গোল শোধ করে দেন তিনি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত, ৯০ মিনিট শেষে সমতায় দুই দল, অপেক্ষা আরও ৩০ মিনিটের।