আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই ফুটবল মাঠের বাইরেও বাড়তি উত্তেজনা। ইতিহাস, রাজনীতি ও দীর্ঘদিনের বৈরিতা এই লড়াইকে আলাদা মাত্রা দেয়। তবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে সেই উত্তাপ কমানোর বার্তাই দিলেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
বুধবার আটলান্টায় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে পিকফোর্ড বলেন, তাদের কাছে এটি অন্য যেকোনো ম্যাচের মতোই। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি মেসি কতটা অসাধারণ ফুটবলার। একই সঙ্গে জানি আর্জেন্টিনা দল হিসেবেও কতটা শক্তিশালী। তবে এটি শুধু আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নয়, বিশ্বকাপের সেরা চার দলের একটি সেমিফাইনাল। দুই দলেরই আবেগপ্রবণ সমর্থক রয়েছে।’
আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজেরও প্রশংসা করেন ইংলিশ এই গোলরক্ষক। পিকফোর্ড বলেন, ‘দিবুর বিপক্ষে আমি খেলেছি, যখন সে ওলভারহ্যাম্পটনে লোনে ছিল আর আমি প্রেস্টন নর্থ এন্ডে খেলতাম। জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে সে নিজেকে দারুণভাবে প্রমাণ করেছে। সে একজন টপ-ক্লাস গোলরক্ষক।’
বিশ্বকাপে দুটি পেনাল্টি মিস করা লিওনেল মেসি আবার স্পট কিকে দাঁড়াতে ভয় পাবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে পিকফোর্ড বলেন, ‘আমার মনে হয় না মেসি আবার পেনাল্টি নিতে বিন্দুমাত্র ভয় পাবে। সবাই মেসিকে নিয়েই কথা বলে, কারণ সে ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তবে আমাদের নিজেদের দল ও খেলোয়াড়দের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের অতীত বৈরিতা, ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যাম-দিয়েগো সিমিওনের ঘটনা কিংবা ২০০৫ সালের প্রীতি ম্যাচের প্রসঙ্গও ওঠে। তবে সেসব বিতর্কে না গিয়ে পিকফোর্ড বলেন, ‘আমরা শেষ কবে খেলেছিলাম? ২০০৫ সালে? অনেক আগের কথা। পুরো টুর্নামেন্টে আমরা যেভাবে খেলেছি, সেটাই সবাই দেখেছে। আমরা শুধু জিততে চাই এবং কোনো ধরনের ঝামেলা এড়িয়ে চলতে চাই। প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান রেখেই খেলাই আমাদের লক্ষ্য।’