শেষ সেশনে এসে অস্ট্রেলিয়া যেন ম্যাচে ফেরার বার্তা দিল। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে প্রথম ইনিংসের মতো দ্রুত ভেঙে পড়েনি স্বাগতিকরা। দিনের বড় সময় বাংলাদেশ বোলাররা চাপ ধরে রাখলেও শেষ সেশনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে তারা বাংলাদেশের চেয়ে ৬৭ রানে পিছিয়ে।
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ করে ৪২৬ রান। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেনের ৮৪ এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে বড় লিড নেয় বাংলাদেশ। শনিবার লাঞ্চের পর চার উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করে অস্ট্রেলিয়া। চারটি উইকেটই নেন জশ হ্যাজলউড। সব মিলিয়ে প্রথম ইনিংসে তার শিকার হাসান মাহমুদের মতই মোট ছয় উইকেট।
বড় ব্যবধানের লিড নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেও স্বস্তিতে ছিল না অস্ট্রেলিয়া। হাসান মাহমুদের গতির সামনে মাত্র ৩৭ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা। জেক ওয়েদারাল্ডন বোল্ড হয়ে ডাক মারেন। এরপর একইভাবে বোল্ড হন ট্র্যাভিস হেডও।
তবে এরপর ম্যাচের চিত্র কিছুটা বদলে যায়। মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ মিলে বাংলাদেশের বোলারদের সামলে জুটি গড়েন। চা বিরতির পর তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন লাবুশেন। তার ৩১ রানের ইনিংসে ভাঙে ৩৬ রানের জুটি।
এরপর স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনও বাংলাদেশের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্মিথ ফিরতি ক্যাচ দিলে ভাঙে সেই জুটি। ৮৮ বলে ৪৪ রান করেন স্মিথ।
দিনের বাকি সময়টা বেশ সতর্কভাবেই কাটান ক্যামেরন গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। তাদের ৯৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা স্বস্তি নিয়ে দিন শেষ করে। গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া।