অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৯ উইকেটের জয়। স্কোরকার্ডে এটি একটি জয় হলেও, ডারউইনে বাংলাদেশের এই ইতিহাস গড়ার পেছনে ছিল কয়েকজন ক্রিকেটারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স।
শুরুতে বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ভেঙে দেন হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে ১৭ ওভার বল করে ৫৫ রানে নেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসেও ১৯ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে নেন আরও ৩ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখেন তিনি।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের বড় ভরসা ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। কঠিন পরিস্থিতিতে ১৯৭ বল মোকাবিলা করে ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ৮টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো সেই শতকের ওপর ভর করেই বড় লিডের পথে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। যদিও দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি।
মেহেদী হাসান মিরাজও ছিলেন দলের অন্যতম নায়ক। প্রথম ইনিংসে ১৫৪ বলে ৬৫ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে নেন ৫ উইকেট। ৩৩ দশমিক ১ ওভারে ৬৬ রান দিয়ে স্টিভ স্মিথ, অ্যালেক্স ক্যারি, বিউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নকে ফেরান তিনি।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও ব্যাট হাতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। প্রথম ইনিংসে ১২৬ বলে ৮৪ রান করে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে গড়ে তোলেন কার্যকর জুটি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও একটি ছক্কা।
শেষ কাজটা সারেন মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম। ৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ ৫ রানে ফিরে গেলেও মুমিনুল অপরাজিত ৩০ ও সাদমান অপরাজিত ২৫ রানে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
হাসান মাহমুদের ৯ উইকেট, তানজিদের শতক, মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স আর শান্তর ৮৪—সব মিলিয়েই ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ।