আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে শিরোপা হাতছাড়া হলেও মরক্কোর জন্য পুরোপুরি হতাশার গল্প হয়ে রইল না। মাঠের ব্যর্থতার আড়ালেই তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল এক ঐতিহাসিক অর্জন। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের সর্বশেষ হালনাগাদে ‘আটলাস লায়ন্সরা’ উঠে এসেছে অষ্টম স্থানে। যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান। ৫০ বছর পর আফকন জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হলেও বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল হাকিমি-দিয়াজদের দল।
তিন ধাপ এগিয়ে মরক্কোর এই উত্থান কেবল সংখ্যার গল্প নয়; এটি ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি। ২০২২ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা দলটির আগের সেরা র্যাঙ্কিং ছিল ১০ নম্বর। প্রায় তিন দশক পর এসে সেই সীমা ভেঙে নতুন উচ্চতায় (৮) পৌঁছানো মরক্কোর ফুটবলের অগ্রযাত্রাকেই তুলে ধরে।
আফ্রিকার আরেক পরাশক্তি সেনেগালও আফকনের পর পেয়েছে নিজেদের ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত। দ্বিতীয়বারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব জয়ের পর ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৭ ধাপ উন্নতি করে তারা উঠে এসেছে ১২ নম্বরে। সাদিও মানেদের জন্য এটি একটি মাইলফলক, কারণ এর আগে তাদের সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল ১৭ নম্বরে।
যদিও নতুন রেকর্ড গড়েছে মরক্কো ও সেনেগাল, তবু আফ্রিকার কোনো দলের সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংয়ের কীর্তি এখনো নাইজেরিয়ার দখলেই। ১৯৯৪ সালে তারা ছিল ৫ নম্বরে। আর আরব দেশগুলোর মধ্যে ইতিহাসের সেরা অবস্থান মিসরের, ২০১০ সালে তারা পৌঁছেছিল নবম স্থানে।
এবারের আফকন শেষে পুরো মহাদেশজুড়েই র্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে। ব্রোঞ্জ জেতা নাইজেরিয়া সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট সংগ্রহ করে ১২ ধাপ এগিয়ে এখন ২৬তম। একই সংখ্যক ধাপ উন্নতি হয়েছে ক্যামেরুনের, যারা উঠে এসেছে ৪৫ নম্বরে।