বিগেস্ট শো অন আর্থের সবচেয়ে বড় আসর ‘ফুটবল বিশ্বকাপ’ দুয়ারে কড়া নাড়ছে। কিন্তু তার আগেই আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোর আয়োজিত টুর্নামেন্টকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু কেবল ফুটবল নয়; যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আচরণ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট-ফুটবল মহলে বয়কটের ডাক উঠেছে।
ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের কিছু রাজনৈতিক নেতারা বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক নৈতিকতার বাইরে মন্তব্যের কারণে এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া উপযুক্ত নাও হতে পারে। যদিও ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ বা ফুটবল ফেডারেশন থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবু রাজনৈতিক চাপ ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, রাজনৈতিক উত্তেজনা এই ধরনের আন্তর্জাতিক ইভেন্টে খেলাধুলার আনন্দকে ছাপিয়ে যেতে পারে, যা খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করবে।
বয়কটের ডাক মূলত ট্রাম্পের কূটনৈতিক ও হুমকিমূলক আচরণের কারণে। বিরোধী রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জাতীয় দলগুলোও ক্রীড়া নীতি ও নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এমন পরিস্থিতিতে অংশ নেওয়া উচিত কি না তা পুনর্বিবেচনা করা দরকার।
তবে সাধারণ ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে এই ধরনের উদ্যোগ কতটা সমর্থন পাবেন, তা এখনও অনিশ্চিত। ফিফা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা এখনো সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানায়নি। খেলাধুলা ও রাজনীতি—এই সংযোগ নতুন নয়, কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের পূর্বাভাসে রাজনৈতিক চাপ ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।