দেশের বাজারে আবারও কমলো সোনার দাম। শনিবার (২০ জুন) সকালে এক বৈঠকের পর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস)। নতুন এ দাম সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম পড়বে দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে সবশেষ গত ১৯ জুন সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে চার হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম, যেখানে দাম ৩৯ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৩৮ দফা ও এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।