ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শিগগিরই বক্তব্য দেবেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম আল-আলম টিভি। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলের বিভিন্ন মিডিয়া দাবিতে গুঞ্জন উঠেছিল, আয়াতুল্লাহ খামেনি হামলায় মারা গেছে।
এদিকে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয় এবং প্রেসিডেন্টের কার্যালয়কেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, তেহরান ছাড়াও কেরমানশাহ, কোম, ইস্পাহান, তাবরিজ ও কারাজ শহরের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
এ ছাড়া দেশটির দক্ষিণে কেনারাক এলাকায় ইরানি নৌবাহিনীর ঘাঁটিতেও আঘাত হানা হয়েছে।
কুর্দিস্তানের কামিয়ারান নামের ছোট এক শহর থেকে পাওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সেখানে সশস্ত্র বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এক ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।
হামলা শুরুর আগেই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ইরানি সাধারণ নাগরিকদের সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিগুলোর আশপাশ থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছিল।
তেহরান থেকে পাওয়া কিছু ছবিতে দেখা গেছে, রাজধানীর নারমাক এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে হামলা হয়েছে, যেখানে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ বাস করেন।
সাবেক এই প্রেসিডেন্ট আহত হয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।