যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দাম্ভিক শাসকের চাপিয়ে দেওয়া অবৈধ যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) জাতিসংঘের এক বৈঠকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরাগচি অভিযোগ করেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যখন আলোচনা চলছিল, তখন ইরানে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘নয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো কূটনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছে।
আরাগচি বলেন, ইরানের মিনাব শহরে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা ছিল এই আগ্রাসনের ‘অন্যতম ভয়াবহ নিদর্শন’। তিনি একে ‘যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত ও সুবিন্যস্ত আক্রমণ’ উল্লেখ করে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত নিখুঁত সামরিক প্রযুক্তি রয়েছে। তার ভাষ্য, ‘স্কুলে হামলা যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ইচ্ছাকৃত ছিল না, তা কেউ বিশ্বাস করবে না।’
এই ঘটনার জন্য ‘সবার দ্ব্যর্থহীন নিন্দা’ এবং ‘দোষীদের নিঃশর্ত জবাবদিহি’ দাবি করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানিয়েছিল।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তদন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরানে যৌথ অভিযানের শুরুতে মার্কিন বাহিনী ‘সম্ভবত অনিচ্ছাকৃতভাবে’ স্কুলটিতে আঘাত হানে। তবে তারা এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।
তথ্যসূত্র: বিবিসি