পবিত্র হজ পালনের জন্য হজ ভিসা ছাড়া অন্য কোনো ভিসা বৈধ নয়। এছাড়া বাইরে থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে জানিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, হজ পালনের জন্য সরকারিভাবে অনুমোদিত একমাত্র উপায় হলো হজ ভিসা।
সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত ভিজিট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, ওমরাহ ভিসা কিংবা টুরিস্ট ভিসা দিয়ে কেউ হজের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারবেন না। এসব ভিসাধারীদের হজের অনুমতি দেওয়া হবে না।
সৌদি আরবের ভেতরে বসবাসরত নাগরিক এবং প্রবাসীদের জন্য নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। তাদের ক্ষেত্রে ‘নুসুক’ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বুকিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে হজের অনুমতিপত্র বা পারমিট সংগ্রহ করতে হবে।
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলেছে, হজের জন্য সব ধরনের অফিসিয়াল রিজার্ভেশন বা বুকিং শুধুমাত্র অনুমোদিত মাধ্যমগুলোর মাধ্যমেই করতে হবে। কোনো ধরনের অননুমোদিত বা ভুয়া চ্যানেলের মাধ্যমে হজের বুকিং না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
এদিকে এবার হজযাত্রীদের টিকিটপ্রতি ১২ হাজার টাকা করে কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবার কোনো চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা ছাড়াই ৭৮ হাজারের বেশি হজযাত্রীকে পরিবহন করা হচ্ছে। আর হজযাত্রায় টিকেট প্রতি ১২ হাজার টাকা খরচ কমানো হয়েছে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাবেন মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ২৬০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।