হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোর ওপর আরোপিত মাশুল থেকে সংগ্রহ করা প্রথম পর্যায়ের আয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবায়ি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আয় কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বা কারা এই অর্থ পরিশোধ করেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি ডেপুটি স্পিকার।
বিবিসিও এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে তেহরান জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তারা কেবল তাদের ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোকে চলাচলের সুযোগ দেবে।
সেই সময় থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে মাশুল আদায়ের বিষয়ে আলোচনা চলছিল। তবে ইরান জাহাজপ্রতি কত টাকা ফি নিচ্ছে বা আদৌ নিচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তখন কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।
উদাহরণ হিসেবে গত মার্চের শেষের দিকের একটি ঘটনার কথা বলা যায়। সেসময় হরমুজ প্রণালিতে প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে তেহরান ২০ লাখ ডলার করে ফি আদায় করছে বলে গুঞ্জন ওঠে। তবে ভারতে ইরান দূতাবাস তা অস্বীকার করে।
তবে বৃহস্পতিবার ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমি তাসনিম নিউজকে বলেন, ‘আমি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছি, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলো থেকে ইরান ফি আদায় করছে। প্রতিটি জাহাজ থেকে আদায় করা ফি-এর পরিমাণ তাদের মালপত্রের ধরন, পরিমাণ ও ঝুঁকির মাত্রার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হয়। এই ফি কীভাবে এবং কতটা আদায় করা হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করে।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে ইরানকে মাশুল দেওয়া জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা ও হুমকি দিয়েছিলেন।