সপ্তাহজুড়ে নাটকীয়ভাবে সমর্থন কমতে থাকায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ‘প্রস্তুতি নিচ্ছেন’ বলে দাবি করেছেন তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা।
শনিবার (২০ জুন) যুক্তরাজ্য সরকারের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা দ্য টেলিগ্রাফকে বলেন, নানামুখী সংকটে জর্জরিত প্রধানমন্ত্রী এখন বুঝতে পারছেন, তার ‘খেলা শেষ’। নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা করে কীভাবে বিদায় নেওয়া যায়, এখন তিনি সেদিকেই নজর দিচ্ছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের মেকারফিল্ড আসনে উপনির্বাচনে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জয়ের পর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের অবস্থানে ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন’ দেখা গেছে।
আর এ কারণে স্টারমার ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার আগের অবস্থান থেকে সরে এসে পুনরায় ভাবছেন বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
প্রধানমন্ত্রীর অনুগত হিসেবে পরিচিত লেবার পার্টির এক সংসদ সদস্য জানান, স্টারমার আগামী সোমবার তার বিদায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন বলে তিনি মনে করছেন। সংসদ সদস্যদের মধ্যে এখন কেবল হাতেগোনা কয়েকজন ‘বন্ধু ও পরিবারের সদস্য’ ছাড়া আর কেউ তার পক্ষে নেই।
ওই সংসদ সদস্য বলেন, ‘কেউ আর বাকি নেই। কেবল যাদের আত্মীয়-স্বজন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) কাজ করেন কিংবা যারা স্টারমারের দীর্ঘদিনের বন্ধু, কেবল তারাই এখন তার পাশে আছেন। অ্যান্ডি বার্নহ্যামের ডাউনিং স্ট্রিটে যাওয়ার পথ রোধ করার চেষ্টা অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতোই অসম্ভব।’
যুক্তরাজ্য সরকারের এক কর্মকর্তা আভাস দিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ ‘বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে’।
তবে তিনি এও সতর্ক করে বলেন, স্টারমার যদি নিজে থেকে পদত্যাগ না করেন, তাহলে ‘সরকার গণপদত্যাগের মুখে পড়তে পারে’।