সর্বশেষ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে ইরান। তবে তারা যেসব স্থানের নাম উল্লেখ করেছে, সেগুলো মূলত স্বাগতিক দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা বিভিন্ন সময় মোতায়েন থাকে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। তবে ইরানের সর্বশেষ হামলায় এসব মার্কিন ঘাঁটির কোনোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সামরিক ঘাঁটিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
বাহরাইন
এখানেই রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর। এই নৌবহর পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের একটি অংশে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
কাতার
দেশটির রাজধানী দোহার উপকণ্ঠের মরুভূমিতে অবস্থিত ২৪ হেক্টর (৫৯ একর) আয়তনের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি হলো মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অগ্রবর্তী সদর দপ্তর। এই কমান্ড মিশর থেকে শুরু করে পূর্বে কাজাখস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
কুয়েত
দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে ক্যাম্প আরিফজান মার্কিন আর্মি সেন্ট্রালের অগ্রবর্তী সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্প বুহরিং বর্তমানে ইরাক ও সিরিয়ায় মোতায়েনের আগে মার্কিন সেনা ইউনিটগুলোর প্রস্তুতি ও অবস্থান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।