পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং পরবর্তী ডজনখানেক পরাঘাতে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ১ মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউও রেকর্ড করা হয়েছে। তবে ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
হতাহতের বিষয়ে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা সংবাদ সম্মেলনে জানান, ইন্দোনেশিয়ায় আজ শনিবার সকালের ভূমিকম্পে ভবনের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
তবে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবির হিসাবে, ভূমিকম্পে একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের যাচাই করা ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এদিন সকালে ভূমিকম্পে মাউমেরে বন্দরে একটি ভবনের কিছু অংশ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এসময় আতঙ্কে চিৎকার করতে করতে লোকজন রাস্তায় ছুটোছুটি করেন।
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর মাউমেরে।
পূর্ব নুসা তেঙ্গারার তালিবুরা গ্রামের ৫১ বছর বয়সী বাসিন্দা নোনা রয়টার্সকে বলেন, ‘কম্পন অনেক শক্তিশালী ছিল। আমরা সেসময় বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। ১৩ জন ছিলাম। সবাই জীবন বাঁচাতে দৌড়ে বেরিয়ে যাই।’
বিএনপিবির এক বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা, পশ্চিম নুসা তেঙ্গারা এবং দক্ষিণ সুলাওয়েসির কিছু অংশজুড়ে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়।
কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা প্রায় এক মিনিট ধরে কম্পন অনুভূত হওয়ার কথা জানান।
‘অধিকাংশ মানুষ কম্পন অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে ছুটে যান,’ উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।