ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশটির সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, এমনটাই ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প লিখেছেন, ‘এই ঐতিহাসিক চুক্তি মার্কিন তেলের মজুতকে দ্বিগুণেরও বেশি বাড়াবে। আমাদের তেল সরবরাহ বহুগুণে বৃদ্ধি করবে এবং সব আমেরিকানের জন্য জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।’
পোস্টে ট্রাম্প জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে’ ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বের সঙ্গে এই সমঝোতায় পৌঁছেছেন।
প্রেসিডেন্ট এই অংশীদারত্বের ধরন বা চুক্তির শর্তাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু না বললেও দাবি করেন, ‘আমেরিকান করদাতাদের কোনো খরচ ছাড়াই’ চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি তার দেশের অর্থনৈতিক পুনরুত্থানে সহায়তা করবে।
চলতি বছরের শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পরই বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেলের খনি সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার সম্পদ ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
সম্প্রতি ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে দর কমানোর চাপে ছিলেন ট্রাম্প।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই তেল চুক্তিকে ‘আমেরিকান এবং ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য বিশাল জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রুবিও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য এই চুক্তি প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের ব্যক্তিগত বিনিয়োগ নিয়ে আসবে। হাজার হাজার উচ্চবেতনের চাকরির সুযোগ তৈরি করবে এবং ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি পুনর্গঠনে সহায়তা করবে।’