নেপালে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলকে প্রবেশ করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে দেশটির সরকার। দুর্যোগের পর যেসব দেশের নাগরিক সেখানে নিখোঁজ রয়েছেন, সেসব দেশের কূটনৈতিক চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার নেপাল সরকার জানিয়েছিল, নিখোঁজদের সন্ধানে অনুসন্ধান অভিযান চালানোর সক্ষমতা দেশটির উদ্ধারকারীদের রয়েছে এবং কোনো বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে অনুমতি দেওয়া হবে না।
তবে এক দিনের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সীমিত আন্তর্জাতিক সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এসবের মধ্যে রয়েছে সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান, ডিএনএ পরীক্ষা এবং ফরেনসিক পরীক্ষা।
নেপালের এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ব্যাপক চাপ ছিল। অন্তত অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং কিছু বিশেষজ্ঞকে অনুমতি দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে, কারণ বন্যায় তাদের দেশের নাগরিকেরাও নিখোঁজ হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সীমিতসংখ্যক বিশেষজ্ঞকে অনুমতি দিচ্ছি।’
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, চীনের সঙ্গে দেশটির হিমালয় সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ বন্যার পর যেসব বিশেষায়িত ও কারিগরি ক্ষেত্রে নেপালের নিজস্ব দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে বিদেশি সহায়তা প্রয়োজন। তবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।