কয়েকদিনের তীব্র ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে। সঙ্গে বাতাসও ছিলো। শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকে মেঘের ঘোরাঘুরি থাকলেও রোদের ঝলকানি ছিল চোখে পড়ার মতো।
তবে দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ যেন সন্ধ্যা নেমে আসে। মেঘে ঢেকে যায় ঢাকার আকাশ। বইতে থাকে ঠান্ডা বাতাস। কিছু সময় পরই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় বৃষ্টি।
দুপুরে রাজধানীর গুলশান-১, মহাখালী, বাংলামোটর ও কারওয়ানবাজারসহ বেশকয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হয়। কিছু কিছু জায়গায় এখনো মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃষ্টিতে জুমার নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা কিছুটা বেকায়দায় পড়েন।
বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করে মেহেদী হাসান নামে জুমার নামাজ পড়তে আসা এক বেসরকারি চাকুরিজীবি বলেন, ‘নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় বৃষ্টি নামায় একটু সমস্যা হয়েছে। তবুও স্বস্তি লাগছে। কয়েকদিন বেশ গরম পড়েছে। বৃষ্টি হওয়াতে এখন কিছুটা ভালো লাগছে।’
এদিকে আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা স্বাক্ষরিত সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া, রাজশাহী ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।