রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। যমুনা সেতু ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। অনেকটা ফাঁকা অবস্থায় যানবাহন চলাচল করছে। শেষ মুহূর্তেও প্রিয়জনের টানে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরছে মানুষজন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকারও বেশি।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, গত রাত থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা কমতে থাকে। বর্তমানে অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে যমুনা সেতু ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। কিছু কিছু দূরপাল্লার বাস চলাচলের পাশাপাশি প্রচুর ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করেছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ হাজার ৬১০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৩ হাজার ৭১৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ ২১ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ৩১ হাজার ৮৯৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ২ কোটি ২০ লাখ ২৫ হাজার ২শ’ টাকা।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে পরিবহন খুবই কম। মহাসড়ক একেবারেই ফাঁকা। তবুও পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদের আগের দিন যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি।