কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের ছয়রাস্তা মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিপি নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে নিয়ে এমপি মুফতি আমির হামজার কথিত কটূক্তির প্রতিবাদে শনিবার সন্ধ্যায় শহরের ছয়রাস্তা মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া জেলা শাখা।
এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কর্মসূচি শেষে গাড়িযোগে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন এমপি আমির হামজা। তার গাড়িবহর ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করার সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা।
এমপি মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করেন, গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালান। এতে তিনি নিজেসহ জামায়াতের অন্তত সাতজন কর্মী আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ অভিযোগ করেন, তাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়। এতে তিনি ও দলের আরও দুই নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।