জয়পুরহাটের কালাইয়ে স্বামীর মারধরে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাসুদা বেগম (৩৬) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় তার অভিযুক্ত মেহেদী হাসান শাপলাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাসুদা বেগমের মৃত্যু হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত মাসুদা বেগম কালাই উপজেলার হারুঞ্জা শাহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মেহেদী হাসান শাপলার স্ত্রী।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে পারিবারিক বিরোধের জেরে মেহেদী হাসান শাপলা লোহার রড ও প্লাস দিয়ে মাসুদাকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা তাকে প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হয়। মামলার পর স্থানীয় গ্রামবাসী মেহেদী হাসান শাপলাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে কালাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বলেন, মাসুদা বেগমকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় মেহেদী হাসান শাপলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগীর মৃত্যু হওয়ায় মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।