ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ আসন থেকে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। হলফনামা অনুযায়ী তার ব্যবসা থেকে বছরে আয় ৬ লাখ টাকা। এছাড়া নগদ টাকা আছে ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪৭৫ টাকা। তবে তার স্থাবর কোনো সম্পত্তি নেই।
দাখিল করা হলফনামায় দেখা গেছে, তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে ব্যাংকে জমা আছে দুই হাজার ৫৫ টাকা, কোম্পানির শেয়ার এক লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার আট লাখ টাকার, ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য এক লাখ টাকার ও আসবাবপত্র রয়েছে এক লাখ টাকার। হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনী একজন শিক্ষার্থী। তার নামে কোনো সম্পদ নেই। স্বামী-স্ত্রীর নামে কোনো দায়-দেনাও নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলেও ২৬ বছর বয়সী আবদুল হান্নান মাসউদের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা আলিম পাস। হলফনামায় তার পেশা উল্লেখ করা হয়েছে ব্যবসা। তিনি ঢাকার পরিবাগ এলাকায় ডিজিল্যান্তি গ্লোবাল নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। যা থেকে বছরে আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে জমা দেওয়া আবদুল হান্নান মাসউদের আয়কর রিটার্নে দেখানো আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। তার স্ত্রীর নামে কোনো আয়কর নথি নেই।
আবদুল হান্নান মাসউদের স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার সাঘরিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক ও মাতার নাম আয়েশা খাতুন বিলকিছ। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের কোনো মামলা নেই।
হলফনামা ও আয়ের তথ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘আমি ছাত্র অবস্থায় টিউশনি করে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করেছি। পাশাপাশি ব্যবসা থেকেও কিছু আয় করেছি। আবার আমার বিয়েসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গত এক বছরে অনেক গিফট পেয়েছি। আমি আমার হলফনামায় যে মোট আয়ের কথা উল্লেখ করেছি, সেটি সত্য। হালফনামায় কিছুই লুকাইনি।’