ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচকে ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে রেফারি নিয়োগ। ম্যাচটি পরিচালনার দায়িত্ব মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথকে দেওয়ার পরই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে ইংলিশ গণমাধ্যম। তাদের দাবি, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘পছন্দের’ রেফারিই পেয়েছেন লিওনেল মেসি।
ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল শিরোনাম করেছে, ‘মেসি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের জন্য তার পছন্দের রেফারি পেয়েছেন।’ তাদের যুক্তি, কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে এলফাথ চতুর্থ কর্মকর্তা ছিলেন। এছাড়া মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির কয়েকটি ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
তবে এই দাবিকে ঘিরে প্রশ্নও উঠেছে। কারণ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে এলফাথ মূল রেফারি ছিলেন না, ছিলেন চতুর্থ রেফারি। অন্যদিকে মেসির সঙ্গে তার সংযোগ বলতে ইন্টার মায়ামির কয়েকটি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করা, যেখানে আর্জেন্টাইন তারকা মাঠে ছিলেন। তবে এটিই তাকে মেসির ‘পছন্দের’ রেফারি প্রমাণ করে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য সামনে আসেনি।
এদিকে ইংল্যান্ডের আরেক সংবাদমাধ্যম দ্য সানও বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারা ইংল্যান্ডকে আর্জেন্টিনার কথিত ‘ডার্ক আর্টস’ বা কৌশলী খেলার ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলেছে এবং রেফারি নিয়োগের বিষয়টিকেও আলোচনায় এনেছে।
অন্যদিকে ডেইলি মিরর গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের বক্তব্য প্রকাশ করেছে। তবে ইংল্যান্ডের এই গোলরক্ষক রেফারি বিতর্কে না গিয়ে বলেছেন, ‘ফুটবলই সব কথা বলবে। আর রেফারিদের কাজ হলো তাদের দায়িত্ব পালন করা।’
ইংলিশ গণমাধ্যমের অভিযোগের বিপরীতে ভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছে ফুটবল৩৬৫। তাদের দাবি, এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ডের তুলনায় কম হলুদ ও লাল কার্ড পেয়েছে। ফলে আর্জেন্টিনার ‘ডার্ক আর্টস’ বা প্রতিপক্ষকে বিরক্ত করার অভিযোগের সঙ্গে পরিসংখ্যান পুরোপুরি মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।