কয়েক সপ্তাহ আগেও বিশ্ব ফুটবলে খুব বেশি পরিচিত নাম ছিলেন না ভোজিনহা। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। বিশ্বকাপের সেই সাফল্যের পর এবার নতুন ক্লাবে অভিষেক হয়েছে তার।
বুধবার চিলির ক্লাব কোলো-কোলোর হয়ে প্রথমবার মাঠে নামেন ভোজিনহা। সান্তিয়াগোর জাতীয় স্টেডিয়ামে কোপা চিলির ম্যাচে ইউনিয়ন এস্পানিওলার বিপক্ষে ৩-০ গোলের সহজ জয় পায় কোলো-কোলো। অভিষেক ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি ভোজিনহা।
মাঠে নামার পর স্বাগতিক দর্শকদের কাছ থেকেও উষ্ণ অভ্যর্থনা পান এই গোলরক্ষক। দলের জয়ে অবদান রাখার পর দর্শকদের করতালিও কুড়ান তিনি।
এর আগে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের হয়ে নজর কেড়েছিলেন ভোজিনহা। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে নেমেই নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় কেপ ভার্দে। দলটির এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ভোজিনহার।
বিশ্বকাপে স্পেন ও দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে ড্র করে কেপ ভার্দে। শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াইয়ে অল্প ব্যবধানে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যায় তারা।
বিশেষ করে স্পেনের বিপক্ষে ভোজিনহার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাকে সামাজিক মাধ্যমে তারকায় পরিণত করে। বিশ্বকাপের আগে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার। স্পেনের বিপক্ষে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ মিলিয়নেরও বেশি।
ক্লাব ফুটবলেও ভোজিনহার অভিজ্ঞতা কম নয়। এর আগে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শাভেসের হয়ে খেলেছেন তিনি। এছাড়া অ্যাঙ্গোলা, সাইপ্রাস, মলদোভা ও স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন ক্লাবেও খেলেছেন এই গোলরক্ষক।
৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপ মাতিয়ে এবার নতুন ক্লাবে অভিষেকেও গোলহীন ম্যাচ উপহার দিলেন ভোজিনহা। বিশ্বকাপের পর তার সামনে যে নতুন অধ্যায়ের দরজা খুলেছে, কোলো-কোলোর হয়ে প্রথম ম্যাচেই যেন তারই ইঙ্গিত মিলল।