সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
| ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হাম ও এর উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৪৯৪ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন ও প্রতিবেদন থেকে সোমবার (১৮ মে) এই তথ্য জানা গেছে।
দেশে হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ কোনো টিকা নেয়নি এবং ১৪ শতাংশ মাত্র এক ডোজ টিকা নিয়েছে আর ১২ শতাংশ দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরও সংক্রমিত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে টিকা কার্যক্রম চলমান থাকায় আগামী ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে মানুষের শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হলে আক্রান্তের হার কমে আসবে বলে আশা করছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)।
দেশে রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কেবল ঢাকা বিভাগেই মৃত্যু হয়েছে পাঁচ শিশুর। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৫৬৪ শিশু। এদিন বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ঢাকার শ্যামলীতে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে চাপ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন যে কেবল জটিলতায় ভোগা শিশুদেরই ভর্তি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
যে সব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ তাদেরকে হামের টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
দেশে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
সারাদেশে শিশুদের মধ্যে হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সব চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল ও ময়মনিসংহে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো: