বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি সঠিক নয়। সংবাদটি তথ্যভিত্তিক নয়, বরং বাস্তবতার বিপরীত।
বিপিসির পক্ষ থেকে রোববার (১৯ এপ্রিল) আরও জানানো হয়, প্রতিবেদনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে অকটেন ও পেট্রোল সংগ্রহ না করার যে দাবি করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। বরং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদিত অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহের জন্য বিপিসি একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে।
বিপিসি আরও বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে স্থানীয় উৎসের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত ৮ এপ্রিল বিপিসির পক্ষ থেকে অকটেন ও পেট্রোল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য।
বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, দেশীয় উৎস থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ অকটেন ও পেট্রোল গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এজন্য বিপিসি বেসরকারি রিফাইনারিগুলো থেকে নিয়মিত জ্বালানি পণ্য গ্রহণ করছে।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিপিসি জানায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএলসি থেকে ১১ হাজার ৬১৫ মেট্রিক টন অকটেন, সাত হাজার ১৭৭ মেট্রিক টন পেট্রোল ও ১২ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া অ্যাকোয়া রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ২৯১ মেট্রিক টন অকটেন, চার হাজার ১৩ মেট্রিক টন পেট্রোল ও ৫৮১ মেট্রিক টন ডিজেল এবং পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড থেকে তিন হাজার ২৬৪ মেট্রিক টন অকটেন, এক হাজার ২৫৪ মেট্রিক টন পেট্রোল ও এক হাজার ৮৯৬ মেট্রিক টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে।
বিপিসি আরও জানায়, চলতি মাসের বাকি সময়েও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি পণ্য গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, যা পূর্ববর্তী মাসগুলোর তুলনায় বেশি।
এ ছাড়া জনস্বার্থে সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য উপস্থাপনে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।