সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আমদানি ও রপ্তানিকারকগণের জন্য সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে, কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০ রহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি কাস্টমস আইন, ২০২৩ অনুসরণ করে কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬ প্রণয়ন করে গত ৮ জানুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এর আগে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স প্রদানের জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিধিমালা ছিল না। কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০ মোতাবেক কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্স ইস্যু করা হতো। সি অ্যান্ড এফ এজেন্টের কার্যক্রম পরিচালনা সহজতর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে স্বতন্ত্র সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।
নতুন এ বিধিমালার উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো—কাস্টমস স্টেশনভিত্তিক ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য আগের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে পূর্বানুমোদন গ্রহণের আবশ্যকতা নেই। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যোগ্য বিবেচিত সব প্রার্থী সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন।
এ ছাড়া নিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণ করে লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়াটি প্রতিবছর একটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
অন্যদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক কোনো স্থল কাস্টমস স্টেশন বন্ধ ঘোষিত হলে, ওই স্টেশনের অনুকূলে ইস্যুকৃত সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সের কার্যকারিতা আগের মতো বাতিল করা হবে না। অধিক্ষেত্র সংযোজনের মাধ্যমে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সধারী অন্য যেকোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ পাবেন।