যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুদ্ধ অভিযান পূর্ণ শক্তিতে অব্যাহত থাকবে এবং আমাদের সকল লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ বাংলাদেশ সময় সোমবার (২ মার্চ) মধ্যরাতে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এ কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, ‘দুঃখজনকভাবে আরও বেশি’ মার্কিন সেনা হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে। তবে সেই সঙ্গে তিনি এ-ও উল্লেখ করেন, ‘এটাই একমাত্র পথ। যুক্তরাষ্ট্র তাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে এবং সভ্যতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা সন্ত্রাসীদের ওপর সবচেয়ে শাস্তিমূলক আঘাত করবে।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আবারও রেভল্যুশনারি গার্ডস, ইরানি মিলিটারি পুলিশকে তাদের অস্ত্র সমর্পণ করতে এবং সম্পূর্ণ দায়মুক্তি পাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি সতর্ক করেন, ‘নতুবা নিশ্চিতভাবে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। এটি নিশ্চিত মৃত্যু হবে, এটি সুন্দর হবে না।’
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ফ্লোরিডার বাড়ি মার এ লাগো থেকে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর সাংবাদিকরা ইরান নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি। হোয়াইট হাউসে প্রবেশের সময় সাংবাদিকরা চিৎকার করে ইরান সম্পর্কে জানতে চান ট্রাম্পের কাছে। তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা না বললেও মার এ লাগোর রোজ গার্ডেনের দুটি নতুন মূর্তি নিয়ে মন্তব্য করেন।
এ ছাড়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের অভিযান ‘খুব ভালোভাবে দ্রততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে’ বলেও জানান তিনি। খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে হতে যাচ্ছেন, সেটির দিকেই নজর সবার। সর্বোচ্চ নেতা খুঁজতে ইতোমধ্যে কাজও শুরু করে দিয়েছে দেশটির লিডারশিপ কাউন্সিল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হতে পারেন।