নেপালে জেন-জির নেতৃত্বে হওয়া গণ-আন্দোলনে সরকার পতনের ছয় মাস পর বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়। শুক্রবার শুরু হয়েছে ভোট গণনা।
নেপালের ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ এ নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ৬৫টি রাজনৈতিক দলের ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই নির্বাচনের মূল আকর্ষণ হলো—নেপালিরা কি তাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির মতো অভিজ্ঞ ও পুরোনো নেতৃত্বেই আস্থা রাখবেন, নাকি দেশের ভাগ্য সঁপে দেবেন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি, কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র ও ৩৫ বছর বয়সী র্যাপার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া বালেন্দ্র শাহর হাতে?
এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, বালেন্দ্র শাহ এ মুহূর্তে কে পি শর্মা ওলিকে তার নিজের নির্বাচনী এলাকা ঝাপাতেও পেছনে ফেলে দিয়েছেন।
বালেন্দ্র শাহর দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) এ পর্যন্ত একটি আসনে জয় পেয়েছে এবং ৩০টির বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী দুই শক্তি—কে পি শর্মা ওলির দল কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (সিপিএন-ইউএমএল) এবং গগন থাপার নেপালি কংগ্রেস ৩টি করে আসনে এগিয়ে আছে।
নেপালের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও নেপালি কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান পুষ্প কমল দহল পূর্ব রুকুম আসন থেকে এগিয়ে রয়েছেন।
এখন পর্যন্ত ভোট গণনার প্রাথমিক ফল বলছে, নেপালিরা তরুণ নেতৃত্বের দিকেই ঝুঁকছেন।
জয়ের প্রাথমিক এই গতি বজায় থাকলে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির রাজনৈতিক সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে দেওয়ার পথে রয়েছেন বালেন্দ্র শাহ।
এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলের দিকে কিছু ফলাফল আসার কথা থাকলেও দেশজুড়ে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করতে কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে।