আদালতে সম্পত্তির মামলায় হেরে জাফর কামারুদ্দিন (৮২) নামে এক বৃদ্ধকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে আব্দুল রহমানের বিরুদ্ধে।
নিহত জাফর কামারুদ্দিন সৈয়দ প্যাটেল ওয়াটার রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ছিলেন। তার ছেলে আব্দুল রহমান মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাফর কামারুদ্দিন ও তার ছেলে আব্দুল রহমান ভারতের মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের বাসিন্দা। ছেলে নিয়মিত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া করতেন এবং তাদের মারধর করতেন।
অতিষ্ঠ হয়ে বাবা জাফর কামারুদ্দিন প্রথমে পুনেতে মেয়ের বাড়িতে চলে যান এবং পরে আদালতে ছেলেকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের মামলা করেন। দু’বছর ধরে আইনি লড়াই চলার পর সম্প্রতি আদালত বাবা জাফর কামারুদ্দিনের পক্ষে রায় দেন এবং ছেলেকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। সম্পত্তির মালিকানা ফিরিয়ে দেন বাবার কাছে।
আদালত থেকে রায় ঘোষণার পর বাড়ি ফেরার পথে ছেলে বাবার ওপর হামলা করেন। বাবা জাফর যে অটোরিকশায় যাচ্ছিলেন, সেটি থামিয়ে রাস্তার মাঝখানে সবার সামনে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন আব্দুল রহমান। সঙ্গে থাকা জাফরের মেয়েও এই হামলায় আহত হয়েছেন। পুলিশ অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে।