মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে পুনরায় নৌ অবরোধ আরোপ এবং এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে।
সর্বশেষ বাজার তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৮ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৫ দশমিক ৩১ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ৩৫ সেন্ট বা ০ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৯ দশমিক ৬৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা কোন দিকে গড়ায়, তার ওপরই নির্ভর করছে তেলের ভবিষ্যৎ বাজার পরিস্থিতি। বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংঘাত বাড়লে বা ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কোনো ধরনের বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবহন করা হতো।