পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দমন-পীড়ন নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর কাতারের আল জাজিরাকে ইসলামাবাদ নিষিদ্ধ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একই সঙ্গে প্রভাবশালী এই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ‘হলুদ সাংবাদিকতার’ অভিযোগ তুলেছে পাকিস্তান।
এনডিটিভি জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সরকার এখন পর্যন্ত আল জাজিরার ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়নি।
তবে পাকিস্তানজুড়ে অসংখ্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, তারা আল জাজিরার ইংরেজি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না।
পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আল জাজিরার ‘বাছাই করা প্রতিবেদন’ প্রকাশের সমালোচনা করে অভিযোগ করেছে, সংবাদমাধ্যমটি নির্বাচন ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে ‘ভুলভাবে উপস্থাপন’ করেছে।
এনডিটিভির আজ মঙ্গলবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আজ মুজাফফরাবাদের কয়েকটি বাছাই করা ভোটকেন্দ্র থেকে আল জাজিরার নির্বাচিত প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে।
‘নির্দিষ্ট সময় বেছে নেওয়া এবং নির্বাচিত কয়েকজন ব্যক্তির পূর্বনির্ধারিত বক্তব্যের মাধ্যমে তারা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচন ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে।’
ইসলামাবাদ জম্মু ও কাশ্মীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন অংশকে আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (এজেকে) হিসেবে উল্লেখ করে।
পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এ ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা কেবল সেই সব বহিরাগত পক্ষের উদ্দেশ্যকেই স্পষ্ট করে, যাদের স্বার্থ রয়েছে।
‘তারা এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং মুজাফফরাবাদ ও আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের রায়কে খাটো করার চেষ্টা করছে। অথচ আজকের ভোটে জনগণ নৈরাজ্য ও জবরদস্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।’