নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার একটি মসজিদ থেকে বিয়ের মাত্র দুই দিন পর আব্দুল মালেক (৩২) নামের এক মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানী মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি এলাকার মুনাকাশা বায়তুন নূর মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ভাগিনার মরদেহ দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার মামা আহেদুল ইসলাম (৬৫)। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত আব্দুল মালেক উপজেলার দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে এবং তার মামা একই এলাকার নছির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মালেক দীর্ঘদিন ধরে মুনাকাশা বায়তুন নূর মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তার বিয়ে হয়। বৃহস্পতিবার সকালে মসজিদে এসে মুসল্লিরা তাকে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে বিষয়টি পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ভাগনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে আব্দুল মালেকের মামা আহেদুল ইসলাম হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুল মালেকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার বলেন, ‘মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’